April 7, 2026, 12:42 pm

সংবাদ শিরোনাম
মেইন রাস্তার ধুলো নয়, নীরব বিষ: রংপুরে তামাক ক্রাসিংয়ের অবৈধ বিস্তার রংপুরে হামের ছায়া: সংখ্যা নয়, গল্পগুলোই বলছে আসল কথা দিনাজপুরে আশ্রম ও এতিমখানায় ৩ কোটি ৬২ লক্ষ ৮৮ হাজার টাকার চেক বিতরণ হাম-আতঙ্কের ভেতর পাঁচ শিশু, রমেকে নীরব লড়াই রংপুরে ”আলোকিতো’র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত সাড়ে চার কোটির ছায়া: শ্বশুর সামনে, কাস্টমস্ জামাতার সংযোগ গংগাচড়ায় আপোষের নামে বোনকে ডেকে মারপিট, আসামীদের গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন স্বাস্থ্যসেবা দোরগোড়ায়—দাবি, বাস্তবতা ও অপেক্ষার বৈধ কাগজপত্র-হেলমেট ছাড়া মিলবে না জ্বালানি তেল ক্যাম্পবেলটাউনে গার্হস্থ্য সহিংসতা প্রতিরোধে সেমিনার অনুষ্ঠিত

খালেদা জিয়ার জীবন নিয়ে চক্রান্ত করছে সরকার: রিজভী

খালেদা জিয়ার জীবন নিয়ে চক্রান্ত করছে সরকার: রিজভী

mostbet

ডিটেকটিভ নিউজ ডেস্ক

বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, সরকারের চক্রান্তে ও নির্দেশে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিন বারবার বাধাগ্রস্ত করা হচ্ছে। যেসব মিথ্যা মামলায় এর আগে অনেকেই জামিন পেয়েছেন, সেসব মামলায় আদালতকে ব্যবহার করে খালেদা জিয়ার জামিন বিলম্বিত করা হচ্ছে। গতকাল বুধবার সকালে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব। রুহুল কবির রিজভী বলেন, কুমিল্লার মিথ্যা নাশকতার মামলায় বারবার তারিখ পিছিয়ে বিএনপির চেয়ারপারসনকে হয়রানি করা হচ্ছে। আদালতে ন্যায়বিচার পেলে কুমিল্লায় দায়ের করা মিথ্যা নাশকতা মামলায় বিচারিক আদালতেই জামিন পেতেন খালেদা জিয়া। আদালত জামিনও দিচ্ছেন না, আবার জামিন নামঞ্জুরও করছেন না। এভাবেই তাঁর উচ্চ আদালতে যাওয়ার পথ রুদ্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। দেশবাসী মনে করে, সরকারের নির্দেশেই নিম্ন আদালতে খালেদা জিয়ার জামিন নিয়ে টালবাহানা করা হচ্ছে। শুধু তাঁকে হয়রানি করার জন্যই তা করা হচ্ছে। আওয়ামী সরকার জুলুমের যত পথ-পদ্ধতি আছে, সবই প্রয়োগ করছে বিএনপির চেয়ারপারসনের ওপর, বলেন রিজভী। আওয়ামী লীগ সারা দেশে ব্যাপক নির্বাচনী সহিংসতা চালাচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন বিএনপির এই নেতা। তিনি আরো বলেন, রাষ্ট্রের সব শক্তি প্রয়োগ করে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের দমনের পর এখন হত্যা, খুন, ধর্ষণ, হামলা থেকে শুরু করে তাদের বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর করা হচ্ছে। ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ার অপরাধে গ্রামের মানুষকে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে। সরকারের নিরঙ্কুশ কর্তৃত্ব নিশ্চিত করতে একতরফা নির্বাচনের পর প্রচারমাধ্যমগুলোকে সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রণ ও নজরদারির মধ্যে রাখা হয়েছে, যাতে সত্য ঘটনা প্রকাশ হতে না পারে। একদিকে হামলা-মামলা-আটক আর অন্যদিকে নিজেদের প্রচারের আতিশয্য বজায় রেখে সরকার প্রতিপক্ষদের বিরুদ্ধে বিষোদ্গার বেগবান করেছে, বলেন রিজভী। বিএনপির এই নেতা আরো বলেন, নির্বাচনোত্তর সহিংস সন্ত্রাসের প্রকোপে জনজীবন গভীর শঙ্কা ও উদ্বেগের মধ্যে পতিত হয়েছে। বিরামহীন সন্ত্রাসের প্রসারে দেশজুড়ে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। রুহুল কবির রিজভী আরো বলেন, দেশজুড়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের পুলিশি হয়রানি ও মামলা-হামলার পর এখন দুদককে দিয়ে বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের হয়রানি করা হচ্ছে। তিনি বলেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস ও মহিলা দলের সভানেত্রী আফরোজা আব্বাসের বিরুদ্ধে আবারো মামলা দায়ের করেছে দুদক। মির্জা আব্বাস ও আফরোজা আব্বাসকে এখন কেন টানাহেঁচড়া শুরু করেছে- দলের পক্ষে অটুট অবস্থান নেওয়ার কারণে। যে নির্বাচন হয়েছে সেই নির্বাচনে দুইজনই প্রার্থী ছিলেন। অনেক হামলা হয়েছে তাদের ওপর। এর মধ্যেও তারা নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন- এটাই হচ্ছে তাদের অপরাধ। তাদের অপরাধ তারা মুক্তকণ্ঠে বেগম খালেদা জিয়ার পক্ষে, গণতন্ত্রের পক্ষে কথা বলেন। যদি তারা নিশ্চুপ থাকতেন তাহলে তাদের ওপর দুদকের খড়গ নেমে আসত না। আমরা বলতে চাই, দুদক বিরোধীদল নির্যাতনের যাঁতাকল হিসেবে কাজ করছে। অবিলম্বে মির্জা আব্বাস ও আফরোজা আব্বাসের বিরুদ্ধে দায়ের করা মিথ্যা মামলা অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি জানান রিজভী। তিনি বলেন, গত ১০ বছরে সরকারদলীয় নেতাকর্মীরা লাখ লাখ কোটি টাকা লুট করে নিলেও, সমস্ত ব্যাংক লুট হয়ে গেলেও দুদক চোখ বন্ধ করে বসে আছে। গণমাধ্যম মন্ত্রী-এমপিদের বিরুদ্ধে সাগর চুরির খবর প্রকাশ করলেও, খোদ সংসদে দাঁড়িয়ে সরকারের মন্ত্রীরা সাগর চুরির কথা বললেও দুদক একেবারে পাথরের মূর্তির মতো চুপচাপ বসে থেকেছে। সংবাদ সম্মেলনে দলের ভাইস চেয়ারম্যান সেলিমা রহমান, আহমেদ আজম খান, কেন্দ্রীয় নেতা আবদুস সালাম আজাদ, মুনির হোসেন, রবিউল ইসলাম রবি, আমিনুল ইসলাম, শাহজাহান মিয়া স¤্রাট প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

Share Button

     এ জাতীয় আরো খবর